বাংলার শেষ স্বাধীন নবাবের নাম কি?
-
ক
লক্ষ্ণণ সেন
-
খ
সম্রাট আকবর
-
গ
সিরাজ উদ্দৌলা
-
ঘ
আলীবর্দী খাঁ
বাংলার ইতিহাসের পট পরিবর্তনের ক্ষেত্রে নবাবি আমলের গুরুত্ব সর্বাধিক। মুর্শিকুলি খানের শাসন কাঠামোয় আবির্ভাব থেকে শুরু করে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যে বদল এসেছিল তারই ধারাবাহিক পরিণতি হিসেবে ব্রিটিশরা ক্ষমতা দখল করেছিল বাংলার। অনেক দরিদ্র পরিবারের সন্তান মুর্শিদকুলি খান প্রথমে সাধারণ একজন দিউয়ান হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন। নানা স্থানে দিউয়ানীর কাজে তাঁর অভিজ্ঞতা সম্রাট আওরঙ্গজেবকে সন্তুষ্ট করতে পেরেছিল। আওরঙ্গজেব তাঁকে হায়দারাবাদের দিওয়ান নিযুক্ত করার পর তাঁকে "করতলব খান" উপাধিও প্রদান করা হয়। অভিজ্ঞতা ও কর্ম নৈপুণ্যে সন্তুষ্ট হয়ে আওরঙ্গজেব মুর্শিদকুলি খানকে বাংলার অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও রাজস্ব সংস্কারের দায়িত্ব প্রদান করেছিলেন। বলতে গেলে তার মাধ্যমেই বাংলায় নবাবি শাসনের উত্থান হয়েছিল। তারপর পরবর্তীকালের শাসকদের অদূরদর্শীতা, অদক্ষতা ও বিশৃঙ্খল আচরণ শেষ পর্যন্ত নবাবি শাসনের পতন ডেকে আনে।
বাংলার নবাবী আমল বলতে মূলত ১৭০৭-১৭৫৭ খ্রিঃ পর্যন্ত সময়কে বোঝায়, যা মুঘল সাম্রাজ্যের দুর্বলতার সুযোগে বাংলার সুবাহদারদের (প্রাদেশিক শাসক) ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রায় স্বাধীনভাবে শাসন করাকে নির্দেশ করে; মুর্শিদকুলী খান এর সূচনা করেন, এবং এই আমলের শেষ স্বাধীন নবাব ছিলেন সিরাজউদ্দৌলা, যিনি পলাশীর যুদ্ধে পরাজিত হলে নবাবী শাসনের কার্যত অবসান ঘটে এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা পায়।
- মুর্শিদ কুলি খান (১৭১৭-১৭২৭)
- আলীবর্দি খান (১৭৪০-১৭৫৬)
- অন্ধকূপ হত্যা-১৭৫৬
- সিরাজউদ্দৌলা (১৭৫৬-১৭৫৭)
- পলাশীর যুদ্ধ-১৭৫৭
- বক্সারের যুদ্ধ-১৬৬৪
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি
Related Question
View All-
ক
মীর কাশিম
-
খ
মীর জাফর
-
গ
মীর জুমলা
-
ঘ
সিরাজ-উদ দৌলা
-
ক
মীর কাশিম
-
খ
মীর জাফর
-
গ
মীর জুমলা
-
ঘ
সিরাজ-উদ-দৌলা
-
ক
নবাব সিরাজউদ্দৌলা
-
খ
মুর্শিদ কুলী খান
-
গ
ইলিয়াস শাহ
-
ঘ
আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন